Press "Enter" to skip to content

নরেন্দ্র মোদী এই ৪ বছরে হিন্দুদের জন্য কি করেছেন ? প্রশ্নের অসাধারণ উত্তর জানলে আপনি গর্বিত হবেন।

অযোধ্যায় যখন হিন্দুরা দর্শন করতে গিয়েছিল তখন এই দেশেই হিন্দুদের পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। সেই সময় একটাও নেতা ছিল না যে হিন্দুদের দেখা করতে গিয়েছিল। কারণ হিন্দু সমাজ তখন রাজনেতাদের জন্য অচ্ছুত ছিল(এক সম্প্রদায়ের প্রতি তোষণ নীতি)। একমাত্র হিন্দুদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আর আজ নরেন্দ্র মোদীর কারণেই দেশের নেতারা হিন্দুদের গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে। হিন্দুদের কতটা সন্মান দিয়েছে তার কল্পনাও একজন রাজনীতি থেকে দূরে থাকা ব্যাক্তি করতে পারবে না। কিছুজন জিজ্ঞাসা করে যে মোদীজি ের জন্য বা হিন্দুদের জন্য কি করেছেন? রামসেতু রক্ষা, রাম মন্দির ইস্যুকে তুলে ধরা ছেড়ে দিন। নরেন্দ্র মোদীর চার বছরের চমৎকার এই –

যে কংগ্রেস গো রক্ষার বিরোধী ছিল সেই কংগ্রেসের নেতা কমল নাথ নির্বাচন জিতলে মধ্যপ্রদেশের প্রত্যেক পঞ্চায়েতে গোশালা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

যে রাহুল গান্ধী আমেরিকায় গিয়ে হিন্দুত্ববাদীদের জঙ্গির থেকে ভয়াবহ বলেছিলেন, যে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন মন্দিরে লোক যায় মেয়েদের টিককারী কাটতে, সেই রাহুল গান্ধী আজ নিজেকে পৈতেধারী ব্রাহ্মণ বলে দাবি করতে শুরু করেছে।

যে বামপন্থীরা নিজেদেরকে পরিচয় ধৰ্মনিরপেক্ষ বলে হিন্দু বিরোধী এজেন্ডা চালাতো সেই বামপন্থীদের নেতা সীতারাম ইয়েচুরি রামায়ণ পাঠ করাচ্ছে।

মুলায়ম, লালু তোষণ ছেড়ে যজ্ঞ করতে শুরু করেছে।

সূর্যেওলা কংগ্রেসকে ব্রাহ্মহনের DNA বলে প্রচার করছে।

রাহুল গান্ধী নিজেকে শিব ভক্ত ও হিন্দু প্রমান করতে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা শুরু করেছে।

হিন্দুদের হিন্দুআতঙ্কবাদ তকমা দেওয়ার জন্য কুখ্যাত দিগ্বিজয় সিং নর্মদা যাত্রা শুরু করেছে।

অখিলেশ যাদব মন্দির তৈরিতে মন দিয়েছে।

মায়াবতী গরিব হিন্দুদের সংরক্ষণ দাবিতে মুখ খুলতে শুরু করেছে।

জম্মুকাশ্মীরের পূর্ব মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আব্দুল্লাহ সমস্থ নেতাদের সামনে ‘ভারতমাতা কি জয়’ শ্লোগান দিয়ে জনগণকে অবাক করতে শুরু করেছে।

লালু সপরিবারে সংকীর্তন হরিনাম করতে লেগে পড়েছে।

এটাই নরেন্দ্র মোদীর চমৎকার, মোদী এই ৪ বছরে পুরো বিরোধী পক্ষকে হিন্দু বানিয়ে দিয়েছেন এটাই নয়, একই সাথে মসজিদ যাওয়া ব্যাক্তিদের মানস সরোবর পাঠিয়ে দিয়েছেন। এই ব্যাক্তি(নরেন্দ্র মোদী) সঠিক সময়ে সঠিক উপায়ে রাম মন্দিরও তৈরি করবে এবং প্রত্যেক বর্গের খেয়াল রাখবে।

মুঘল ও ইংরেজদের কাছে শত শত বছর ধরে গোলামী করা জাতিবাদী হিন্দুদের আরো কত ‘আচ্ছে দিন’ আসবে? যদি এইভাবে হিন্দুরা এক হয়ে নিজের ভোট কাজ লাগাতে পারে তাহলে সেই দিন দূর নেই যখন সমস্থ বিরোধীরা এক হয়ে সমস্থ উৎসব পার্বণে উপোস রাখবে। উদাহরণসরূপ রাহুল গান্ধী তার জীবনে এই প্রথমবার হিন্দুদের খুশি করতে মানসসরোবর যাত্রায় বেরিয়েছে। জযদিও যাত্রা পথে নিজের স্বভাবশত চিকেন কুরকুরে ভোজন করে হিন্দুদের ক্ষোপের সম্মুখীন হয়েছেন।

পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: কি সঠিক পথে দেশকে নিয়ে যাচ্ছেন?