নরেন্দ্র মোদী হিন্দুদের জন্য যা করেছেন আসল সত্যিটা জানলে প্রতিটি হিন্দুই কেবল ওনাকেই ভোট দেবেন | Bengali News

মোদী আমলে দেশের বিকাশ এত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়ে চলেছে যে বিরোধীরা পর্যন্ত বিরোধ করার ইস্যু খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে। কিছু সপ্তাহ আগে বিরোধীদের কাছে একটা বড় ইস্যু ছিল পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি। এখন তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে এনে সেক্ষেত্রেও বিরোধীদের চুপ করিয়ে রেখেছেন প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে এখন দেশের হিন্দু সমাজকে বিভ্রান্ত করার জন্য নতুন একটা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। বামপন্থী থেকে কট্টরপন্থী, কংগ্রেস থেকে তৃণমূল কংগ্রেস, সকল বিরোধীদের মুখে একটাই প্রশ্ন- “মোদী হিন্দুদের জন্য কি করেছে?” এতদিন পর্যন্ত যে বিরোধীরা হিন্দুদের অবহেলা করে মুসলিম তোষণ করেছে তারাই এখন হিন্দুদের জন্য মোদী কাজ জানতে আগ্রহ প্রকাশ করছে।

এই প্রশ্ন মূলত বামপন্থী ও কট্টরপন্থীদের মস্তিষ্ক থেকে উৎপন্ন হিন্দুদের বিভ্রান্ত করার একটা পরিকল্পণা মাত্র। তাই বিরোধীদের সাথে এই বিষয়ে তর্ক করা একটা মূর্খের পরিচয় মাত্র। কিন্তু বামপন্থী ও কট্টরপন্থীদের প্রভাবে অনেক হিন্দুর মস্তিকেও এই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে যার উত্তর দেওয়া অনিবার্য।

১)নিজের সংস্কৃতি, নিজের ধৰ্ম, নিজের পরিচয়কে ভুলিয়ে দেওয়ার ব্যাপার ঠিক নিজের বাবা মাকে বৃদ্ধাআশ্রমে ছেড়ে দেওয়ার মতোই ঘটনা। আসলে মুসলিম তোষণ ছেড়ে দেশের বিকাশ করায়, হিন্দু ধর্মের প্রতি কাজ করার হয়। কারণ ভারত দেশ হিন্দুবহুল, তাই দেশের বিকাশ হলেই হিন্দু সমাজের বিকাশ ঘটে।

২)কংগ্রেস আমলে হিন্দুদের সাথে ঠিক এমন দুর্ব্যবহারের ঘটনা বহুবার সামনে এসেছে। এমনকি দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ঘোষণা করেছিলেন, দেশের সমস্থ সম্পদের উপর প্রথম অধিকার সংখ্যালঘু তথা মুসলিমদের। এমনকি তৎকালী রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীও রাষ্ট্রপতি ভবনে ইফতার পার্টির আয়োজন করতেন। এটা তো কংগ্রেসে আমলের ঘটনা, অন্যদিকে আজ মোদী যুগে মুসলিম তোষণ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে, রাষ্ট্রপতি ভবনে ইফতার পার্টি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

৩)কংগ্রেস আমলে খ্রিষ্টান মিশনারিরা টাকার লোভ দেখিয়ে বহু হিন্দুদের ধৰ্ম পরিবর্তন করিয়েছে। এই সমস্ত কিছু বিদেশি ফান্ডিং এর ভিত্তিতে NGO এর আড়ালে করা হতো। মোদী ক্ষমতায় এসে ১৪,০০০ NGO এর লাইসেন্স বাতিল করেছে যার দরুন বহু হিন্দু এই ধৰ্ম পরিবর্তনের হাত বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছে।

৪) কংগ্রেস আমলে ভারতে আসা অতিথিরা ভারতকে শুধুমাত্র তাজমহল ও সাপ সাপুড়ের দেশ হিসেবে চিনত কিন্তু আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের অতিথিদের ভারতের প্রাচীন মন্দিরে নিয়ে যান, সিতা উৎসবে দক্ষিণ কোরিয়ার অতিথি  চিফ গেস্ট করেন, দেশে আসা অতিথিদের হিন্দু সংস্কৃতির সাথে জুড়ে থাকা উপহার প্রদান করেন। উদাহরণস্বরূপ নরেন্দ্র মোদী, সিঞ্জ আবেকে জাপানি ভাষায় অনুবাদিত গীতা উপহার দেন, সৌদি আরবে গিয়েও গীতা উপহার হিসেবে দিয়ে আসেন। পাশ্চাত্য সভ্যতার ব্রিটিশ সহ বাকি ডাকাতরা ভারত থেকে যে সমস্থ দামি মূর্তি চুরি করে পালয়েছিলো সেই সমস্থ বহুমূল্য হিন্দু মূর্তি ফিরিয়ে এনেছেন যার কার্য এখনো লাগাতর হয়ে চলেছে।

৫) পুরো বিশ্ব যেভাবে এক হয়ে খ্রিস্টমাস ডে পালন করে আজ সেই একইভাবে ২১ সে জুন পুরো বিশ্ব অন্তরাষ্ট্রীয় যোগ দিবস পালন করে। উল্লেখ্য, প্রতি বছর এই যোগ দিবসের গুরুত্ব, জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে যার পুরোটাই প্রধানমন্ত্রী মোদীর দৌলতে।

৬)আজ হিন্দুস্থানের তীর্থস্থলগুলি সেই মান মর্যাদা পেতে শুরু করেছে যা আগে হজ যাত্রা পেত। আগের সেকুলারবাদী সরকারেরা শুধু ভারতে হজ হাউস বানিয়ে গেছে এখন সেই জায়গায় মোদী সরকার  কৈলাস মানস সরোবর ভবন  তৈরি করতে শুরু করেছে। কেদারনাথের প্রাচীনতাকে বজায় রেখেই সরকার ভব্য রূপ প্রদানে উদ্যোগী হয়েছে। কৈলাস মানসরোবরের যাত্রীদের জন্য নাথুলার রাস্তা খুলিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। প্রধানমন্ত্রী নিজের চীনের রাষ্ট্রপতির সাথে কথা বলে নাথুলার রাস্তা খুলিয়েছেন।

৭)যোগী সরকারের হাত ধরে ভারতের প্রাচীন নগরী নিজের আসল ঐতিহ্যবাহী নাম ফিরে পেয়েছে। ফৈজবাদ তার প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী নাম অযোধ্যা ফিয়ে পেয়েছে, এলহাবাদ তার প্রাচীন নাম প্রয়াগরাজ ফিরে পেয়েছে।

৮)আজ মোদী আমলে হিন্দুদের রাখী উৎসবে রাখির কেনার উপর এবং ভগবান গণেশ মূর্তির উপর GST প্রদান করতে হয় না। মোদী আমলে হিন্দুদের পবিত্র নদী ও হিন্দু ধর্মের আত্মা গঙ্গা সাফাই কার্য শুরু হয়েছে। গঙ্গা নদীর জলদূষণ এখন ২০% কমে গেছে এবং  এশিয়ার সবথেকে বড়ো যে নালা থেকে দূষিত জল গঙ্গা নদীতে মিশত সেই নালা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

৯) এক সময় কংগ্রেসের নেতা নেত্রীরা কজলাখুলি হিন্দুদের আতঙ্কবাদী ঘোষিত করে বহু হিন্দু সাধু সন্তকে জেলে ঢুকিয়েছিলো। আজ মোদী আমলে সেই সাধু সন্ন্যাসীরা ন্যায় বিচার পেয়ে জেল মুক্ত হতে পেরেছে। এমনকি মুম্বাই হামলার ঘটনায় হিন্দুদের দোষারোপ করেছিল কংগ্রেস, আজ পাকিস্থান নিজে মুম্বাই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

১০) এক সময় রাম সেতুকে প্রবাল ব্রিজ, রামায়ণ, মহাভারতকে কাল্পনিক কাহানি বলে আখ্যা দেওয়া হতো আজ কংগ্রেস তো দূর, আমেরিকা সহ পুরো বিশ্ব রাম সেতুর সৃষ্টি এবং রামায়ণ মহাভারতের সত্যতা স্বীকার করেছে। এক সময় যে হিন্দুরা জয় শ্রী রাম বলতে ভয় পেত আজ শ্রী হিন্দ নিজেকে হিন্দু বলে গর্ব বোধ করতে শুরু করেছে।

 

১১)প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হিন্দুদের ট্যাক্স এর টাকায় হজ যাত্রা বন্ধ করে দিয়েছেন এবং  বর্তমানে হিন্দুদের কুম্ভ মেলাকে বিশ্বস্তরীয় করার জন্য মাঠে নেমে পড়েছেন। ওর পরেও যারা প্রধানমন্ত্রীর মোদীর হিন্দু কর্তব্য এর উপর প্রশ্ন তুলে তাদের জন্য একটা উত্তর যথেষ্ট যে, এককালে ইসলামের টুপি মাথায় নিয়ে মসজিদে মসজিদে ঘুরে বেড়ানো নামাজি নেতারা এখন মাথায় টিকা লাগিয়ে মন্দির পরিক্রমা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close