Press "Enter" to skip to content

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন এই সার্ভেতে এগিয়ে নরেন্দ্র মোদী! বাকিরা কত ভোট পেলেন জানলে অবাক হবেন।

২০১৯ এ দেশে লোকসভা নির্বাচনে আর সেই হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলি কেন্দ্রের ক্ষমতা নিজেদের হাতে পাওয়ার জন্য প্রচারে নেমে পড়েছে। দেশে প্রধানমন্ত্রীর পদ একটা হলেও এর দাবিদার অনেকে উঠে আসছে। একদিকে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী নিজেকে নরেন্দ্র মোদীর সাথে টক্কর নেওয়ার জন্য সবথেকে উপযুক্ত মনে করছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সমর্থকরা মমতা ব্যানার্জীকে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার স্বপ্ন দেখছেন। পিছিয়ে নেই কেজরিওয়াল, মায়াবতীরাও। এই অবস্থায় দেশের এক বড় রাজনীতিকার ও বিশেষজ্ঞ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সার্ভে করছে। এই সার্ভে অনুযায়ী এখন পর্যন্ত যে পরিসংখ্যান সামনে এসেছে তা অবাক করার মতো।

সার্ভের পরিসংখ্যান দেখে বিরোধীদের রাতের ঘুম উড়ার অবস্থা হয়েগেছে। আপনাদের জানিয়ে দি, দেশের বড়ো রাজনীতিবিদ প্রশান্ত কিশোর তার ওয়েবসাইট ‘ন্যাশনাল এজেন্ডা ফোরাম’ এর মাধ্যমে নির্বাচনে নেমে পড়েছে। এই সার্ভেতে দেশের সবথেকে পছন্দের নেতা এবং দেশের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলির ব্যাপারে মানুষের কাছে রায় চাওয়া হয়েছে।

এই ওয়েবসাইটে এর সার্ভেতে এখনো পর্যন্ত যা পরিস্থিতি রয়েছে সেই অনুযায়ী নরেন্দ্র মোদীকে নিজের নেতা মনে করা ভোট পড়েছে ৪৩.৯% অন্যদিকে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর ভোট সোনিয়া গান্ধীর চিন্তা বাড়িয়ে তুলেছে। রাহুল গান্ধী ভোট পেয়েছেন ১৮.১% যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অর্ধেকও নয়। তবুও রাহুল গান্ধী দ্বিতীয় স্থান দখল করেছেন।

অরবিন্দ কেজরিওয়াল ৮.৬% ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। নীতিশ কুমার এই লড়াইয়ে ৬.১% পেয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী(TMC) ৫.২% ভোট পেয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন। এর পরে যথাক্রমে অখিলেশ যাদব, সীতারাম ইয়েচুরি, নভীন পাটনাইক, এইচ ডি ডেভগড়া, এবং মায়াবতী রয়েছেন যারা যথাক্রমে ৪.৭%, ৩.৫%, ২.৪%, ২.১%, ১.৯% ও ১.৮% ভোট পেয়েছেন।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, ১৪ আগস্ট পর্যন্ত এই সার্ভে চলতে থাকবে আর তারপর ফলাফল সামনে আসার পর প্রশান্ত কিশোরের টিম সবথেকে বেশি ভোট প্রাপ্ত নেতার দলের কাছে গিয়ে নির্বাচনের ইস্যুগুলি সম্পর্কে আরো জানাবেন। সার্ভে থেকে এটা নিশ্চিত যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগে দেশের কোনো নেতা টিকতে পারবেন না।