Press "Enter" to skip to content

শশী থারুর জিজ্ঞাসা করেছিলেন, মোদীজি কেন মুসলিম টুপি পরেন না? এরপর শশী থারুর যা জবাব পেলেন জানলে..

কংগ্রেস সাংসদ আরো একবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর নিশানা করেছেন। থারুর বলেন, মোদী তার মাথায় আলাদা আলাদা টুপি তো পরিধান করেন কিন্তু মুসলিম টুপি পরা থেকে এড়িয়ে যান। এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবও চেয়েছেন। এই সময় তিরুভান্তাপুরপম এ উপস্থিত ছিলেন শশী ঠাকুর। সেখানে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোপ উগরে দিচ্ছিলেন হিন্দু বিরোধী নেতা । উনি বলেন প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন রকমের পোশাক পড়েন কিন্তু কখনো মুসলিম টুপি পরেন না কেন? থারুর আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবুজ রং এর পোশাক কেন পরিধান করেন না?

থারুর ভন্ড স্বামী অগ্নিবেশের নাম করে বলেন যে, ঝাড়খণ্ডের পাকুড়ে উনার উপর হামলা করা হয়, আজ যদি স্বামী বিবেকানন্দ থাকতেন তাহলে উনাকেও এই গুন্ডাদের সম্মুখীন হতে হতো। আপনাদের জানিয়ে রাখি, শশী থারুর অগ্নিবেশকে মহান বানানোর চেষ্টা করলেও আসলে অগ্নিবেশ শ্রী ব্যাক্তি যিনি ভারত বিরোধী কথা বলার জন্য মানুষের রাগের শিকার হয়ে ছিলেন। টুপি পরা নিয়ে প্রশ্ন করায় শশী থারুরকে জমিয়ে আক্রমণ করেন টুইটার ইউজাররা। কার্তিকেই ভদ্রারাজ নামে এক ইউজার বলেন, ‘এটা তালিবান নয়, এটা হিন্দুস্থান, আমাদের সেই স্বাধীনতা আছে যে আমরা কি পরবো আর কি পরবো না।’

রাগভেনড্রো উপাধ্যায় নামে এক ইউজার বলেন, “থারুর তুমি কে জিজ্ঞাসা করার যে মোদী মুসলিম টুপি পরবে না, না মিলিটারি টুপি পরবে না অন্যকিছু কিছু টুপি পরবে। প্রত্যেকের স্বাধীনতা আছে যে সে তার ইচ্ছা মতো পোশাক পরতে পারে। যাইহোক তুমি মুসলিম টুপি বা বোরখাও পরতে পারো আমাদের কোনো সমস্যা নেই।” সাধারণ জনগণের এমন জবাব শোনার পর যে শশী থারুর নিশ্চুপ হয়ে যাবেন তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আপনাদের জানিয়ে রাখি, প্রধানমন্ত্রী কেন মুসলিম টুপি পরেন না এর উত্তর উনি নিজের বহু বছর আগে দিয়েছিলেন। নরেন্দ্র মোদীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে তিনি বিভিন্ন স্থান তাদের মতো করে পোশাক পরেন, তদের টুপিও পরেন তাহলে মুসলিম টুপি পরেন না কেন?

এর উত্তরে নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, “আমি যখন কোনো জায়গায় গিয়ে পোশাক বা টুপি পরিধান করি সেটা সেই স্থানের মানুষদের সঙ্গস্কৃতির সাথে জড়িত থাকে। কোনো ধর্মের সাথে জড়িয়ে থাকে না। আমি অন্য ধর্মের সন্মান করি , অন্য ধর্মের আদর করি কিন্তু পালন শুধু মাত্র নিজের ধর্মের করি। ভোটের লোভে টুপি পরে কোনো পাপ আমি করতে পারবো না।’ প্রসঙ্গত, শশী ঠাকুর সেই কংগ্রেসি নেতা যিনি এক বিশেষ সম্প্রদায়ের ভোট নেওয়ার জন্য ‘হিন্দু পকিস্থান, গেরুয়া আতঙ্কবাদ’ এর মত শব্দ ব্যবহার করার হিন্দু সমাজকে বদনাম করেছিলেন।