Press "Enter" to skip to content

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন এই মেয়েকে ‘থ্যাংক ইউ’ বললেন তা জানলে অবাক হবেন।

দেশের প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সময় এমন এমন পদক্ষেপ নেন যার জন্য উনি চর্চার মধ্যে থাকেন। অবশ্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কারণে চর্চায় ছেয়ে থাকাতাও স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু কিছু সময় এমনও হয়ে থাকে যখন উনি রাজনীতির জন্য নয় বরং অনন্য কারণেও চর্চায় থাকেন। সম্প্রতি এমনি একটা ঘটনা হয়েছে যার কারনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে একটা সাধারণ মেয়েও চর্চায় ছেয়ে রয়েছে। আপনাদের জানিয়ে দি, প্রত্যেক বছর দেশের বোনেদের থেকে রাখি বাঁধেন। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি, এবছর বহুজনের থেকে রাখি বাঁধেন। দিল্লীর সাথে ঘেঁষে থাকা উত্তরপ্রদেশের নয়ডার সেক্টর ৪০ এর বাসিন্দা ১০ শ্রেণীর ছাত্রী গোস্বামী রবিবার রাখিবন্ধনের দিন প্রধানমন্ত্রীর হাতে রাখি বাঁধেন।

রাখিবন্ধনের পর খুশি গোস্বামীকে থ্যাংক ইউ বলেন। যারপর খুশির আর খুশির সীমা থাকে না। খুশি নয়ডাতে থাকেন উনি দিল্লিস্থিত বাল ভবনের সাথে সংযুক্ত । যার কারনে প্রধানমন্ত্রী হাতে রাখি বাধার জন্য আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। মহর্ষি বিদ্যা মন্দিরের ছাত্রী খুশি গোস্বামী জানান প্রধানমন্ত্রীর হাতে রাখি বাঁধার জন্য উনি খুব উৎসাহিত ছিলেন এবং একইসাথে উনার মনে একটু ভয়ভীত হচ্ছিলেন কারণ এই প্রথমবার উনি ভারতে প্রধানমন্ত্রীকে রাখি বাঁধতে যাচ্ছিলেন।

খুশি বলেন যে এটা তার কাছের গর্বের বিষয় যে জীবনে সে একটা সুবর্ন সুযোগ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে রাখি বাঁধা উনার জীবনে সবথেকে বেশি আনন্দের সময় ছিল আর এই আনন্দ ১০ গুন তখন হয় যখন প্রধানমন্ত্রী খুশিকে থ্যাংক ইউ বলেন।এরপর খুশি প্রধানমন্ত্রীকে উত্তর দিয়ে ইউর ওয়েলকাম বলে। খুশির মা অলকা গোস্বামী বলেন খুশি এই সুবর্ন সুযোগ পাওয়ায় পরিবারে একটা আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আলকাজি বলেন, খুশি সারাদিন টিভি খুলে বসে ছিল যাতে কোনো চ্যানেল প্রধানমন্ত্রীকে রাখি বাঁধার ছবি দেখতে পান। খুশির এই রাখি বাঁধার পর থেকে পুরো শহরে খুশির একটা আদালা ছবি তৈরি হয়েগেছে।

খুশি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রতি খুব উৎসাহী এবং ভবিষ্যতে একজন বড়ো গীতিকার হতে চান। রবিবার ২৬ অগাস্ট খুব উৎসাহের সাথে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করা হয়, সমস্থ বোনেরা তাদের ভায়ের হাতে রাখি বেঁধে ভালোবাসা প্রকাশ করেন এবং ভাইদের থেকে রক্ষার বচন নেয়। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এমন একজন ব্যাক্তি যার সংস্পর্শে আসা মাত্র সেই ব্যাক্তিরও ওজন বেড়ে যায়। কিছুদিন আগে পশ্চিমবঙ্গে যখন মোদীজির এক সভায় প্যান্ডেল ভেঙে আহত হওয়া যুবতীকে প্রধানমন্ত্রী অটোগ্রাফ দিয়েছিলেন সেই সময়েও একরকম ঘটনা সামনে এসেছিল। পশ্চিমবঙ্গের ওই যুবতী একপ্রকার স্থানীয় সেলিব্রেটিতে পরিণত হয়েছিলেন।