Press "Enter" to skip to content

ভাগবত গীতার সাথে কেন তাজমহলের তুলনা উচিত নয় তার দূর্দান্ত বিশ্লেষণ করলেন যোগী আদিত্যানাথ।

দেশের সবথেকে বড়ো রাজ্য ের মুখ্যমন্ত্রী এমন একজন মুখ্যমন্ত্রী যিনি স্পষ্ট কথা স্পষ্টভাবেই বলেন যে কারণে তথাকথিত সেকুলারদের চোখে উনি কট্টর হিন্দুত্ববাদী নেতাতে পরিণত হয়েছেন। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের উনি কখনোই হিন্দু, মুসলিম বা খ্রিস্টানদের জন্য আলাদা নীতি তৈরি করে রাখেননি বরং সকলকে সম্প্রদায়ের জন্য সমান নীতি রেখে কাজ কাজ করেন। সম্প্রতি এক টিভি চ্যানেলের ইন্টারভিউতে যোগী আদিত্যানাথকে এই বিষয়ে কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল যার সঠিক ও যুক্তিযত উত্তর দেন উনি। টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক যোগী আদিত্যানাথকে বলেছিলেন রাজনৈতিক জগতে আপনার ছবি একজন কট্টর হিন্দুত্ববাদীর। এর সাথে সাথে সাংবাদিক যোগীজিকে জিজ্ঞাসা করেন যে “আপনি ভাগবত গীতাকে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক চিহ্ন হিসেবে গণ্য করলেন, তাজমহলকে কেন ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক চিন্হ বলে গণ্য করেন না? তো প্রেম, ভালবাসার প্রতীক!”

যোগী আদিত্যানাথের অসাধারণ উত্তর!

এর উত্তরের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ এমন উত্তর দিয়েছিলেন যা যেকোনো মানুষের মন জয় করতে যথেষ্ট। যোগী আদিত্যানাথ উত্তর দেন, ” আপনারা যদি সঠিকভাবে আমার কাজ অনুসরণ করতেন তাহলে কোনোভাবেই আমাকে কট্টর বলতে পারতেন না। যেহেতু এখন আপনি আমাকে কট্টর বলেই দিয়েছেন তখন আমি বলতে চাই,  উত্তরপ্রদেশবাসীকে সুরক্ষা প্রদান করতে যদি কট্টরপন্থী ছবি আবশ্যক বলে মনে হয় তাহলে এতে আমার আপত্তি নেই। যে পদক্ষেপ আমার প্রদেশের ২২ কোটি মানুষের সুরক্ষা প্রদান করবে তা নিতে আমি কখনোই সংকোচ বোধ করবো না। তাতে আমার রাজনৈতিক ছবি কট্টর হলেও আমি খুশি।” দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ বলেন,

“স্বাধীনতালাভের পর আপনি ভারত দেশকে কোন স্থানে নিয়ে যেতে চান সেটা আপনার এই প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে। আমরা ভারতবর্ষকে , , রামায়নের মতো প্রাচীন ও মহান গন্থের সাথে যুক্ত করছি যা ভারতের বাস্তব পরম্পরা ও ঐতিহ্য এর সাথে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। গীতার সাতে কখনোই তাজমহলের তুলনা করা উচিত নয়।আপনি আমার সামনে গীতার সাথে তাজমহলের তুলনা করে প্রশ্ন করলেন, এরপরেও আমাকে কট্টর বলছেন।  যদি আমি কট্টর হতাম তাহলে এই রকম তুলনা করার পর আপনাকে সমস্যায় পড়তে হতো।আগ্রার তাজমহল একটা পর্যটন কেন্দ্র হলেও  আস্থার কেন্দ্র হতে পারে না।

লোকজন আনন্দ ফুর্তি করার জন্য এবং পর্যটন কেন্দ্রে জন্য তাজমহল যেতে পারে। কিন্তু যখন আমরা বা গীতার কথা বলবো তখন সেটা শ্রদ্ধার সাথে ভারতের ভবিষ্যত প্রজন্মকে ভারতের পরম্পরা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শিক্ষা দেব। ভারতের একতা, অখন্ডতা ও উদারতা বজায় রাখতে হলে , রামায়ণ ও মহাভারতের মতো গ্রন্থের প্রতি আমাদের আস্থা থাকা অতি অবশ্যই উচিত। তাই আগ্রার তাজমহল ভারতের পর্যটনের প্রতীক হতে পারে কিন্তু ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক কখনোই হতে পারে না। ভারতের সংস্কৃতির প্রতীক শুধুমাত্র , রামায়ণ ও মহাভারতের মতো প্রাচীন গ্রন্থ।