Press "Enter" to skip to content

হিন্দুদের সর্বোচ্চ সম্মান দিলেন যোগী আদিত্যনাথ! কুম্ভের জন্য আন্তর্জাতিক স্তরের সুবিধা প্রদান করল যোগী সরকার।

এতদিন পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলি শুধুমাত্র মুসলিম তোষণে ব্যাস্ত থাকতো কিন্তু মাত্র ৫% হিন্দু একত্র হওয়ায় দেশে হিন্দুত্ববাদী সরকার ক্ষমতায় এসে হিন্দুদের স্বার্থে কাজ করতে শুরু করেছে। দেশের মাত্র ৫% হিন্দুদের মধ্যে ধর্মীয় সংকটের সচেতনা জাগ্রত হওয়ায় আসাউদ্দিন এর মত মুসলিম কট্টরপন্থী নেতারা মাথায় গেরুয়া পাগড়ি পরিধান করতে শুরু করেছে। এমনকি উত্তরপ্রদেশের মতো মুসলিম তোষণকারী রাজ্য এখন হিন্দুদের ঐতিহাসিক গর্বকে ফিরিয়ে আনার উপর কাজ শুরু করেছে। যে উত্তরপ্রদেশে আগে রাজ্য জুড়ে হজ হাউস গড়ার কাজ চলত সেই প্রদেশ আজ রাম রাজ্য হওয়ার পথে চলতে আরম্ভ করে দিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার প্রদেশের শহরগুলির ইসলামিক নাম মুছে দিয়ে পুরোনো ভারতীয় নাম ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, হিন্দুদের ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলিকে আন্তর্জাতিক করার জন্যও পুরো জোর দিয়েছে যোগী সরকার।

জানিয়ে দি, উত্তরপ্রদেশেশের প্রয়াগরাজে চলমান কুম্ভ মেলার জন্য সরকার ৪২৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ২০১৩ সালে কুম্ভ মেলার জন্য যে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল তার তিনগুন টাকা বরাদ্দ করেছে যোগী সরকার। এটা টাকার বাজেট এর আগে কখনো হিন্দু উৎসবের জন্য রাখা হয়নি। অর্ধ কুম্ভ হোক বা পূর্ণ কুম্ভ কোনো উৎসবেই এত টাকা খরচ করেনি আগের সরকার।

উল্লেখ্য, এই বছর প্রয়াগরাজে যে কুম্ভের আয়োজন হয়েছে সেটা অর্ধ কুম্ভ। এই কুম্ভ ৪ বছর অন্তর অন্তর আয়োজিত হয়। অন্যদিকে মহাকুম্ভের আয়োজন ১২ বছর অন্তর অন্তর করা হয়। আগের সরকার কুম্ভের জন্য ১,৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল। এই বছর যোগী সরকার আগের সরকারের ৩ গুণের বেশি বরাদ্দ করেছে। সরকসর মেলার জন্য আগে থাকতে ২৪৭ কিমি সড়ক নির্মাণ, ৫.৬৩ লক্ষ যানবাহনের পার্কিং সুবিধা, ১,২২,৫০০ সংখক টয়লেট এবং ৫৮ টি নতুন পুলিশ পোস্ট তৈরি করেছে। এছাড়াও ২১৩২ জন চিকিৎসক, ২০,০০০ পুলিশ কর্মী মেলায় হিন্দু ভক্তদের সেবায় নিযুক্ত রাখা হয়েছে।

 

 

এই কুম্ভ মেলা বিশ্বের সবথেকে বড় মেলা। যোগী সরকার এই মেলায় হিন্দুদের পূর্ন সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ইজরায়েলি সুরক্ষার আয়োজন করেছে। ইজরায়েল সুরক্ষা ব্যাবস্থা বিশ্বের সবথেকে উন্নত সুরক্ষা ব্যাবস্থা যা হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য কুম্ভ মেলায় লাগানো হয়েছে। হিন্দুদের সবথেকে বড় মেলা হওয়ার কারণে ইসলামিক আতঙ্কবাদী, জিহাদিদের নজর এই মেলার উপর থাকে। তাই সরকারকেও সুরক্ষার জন্য কড়া আয়োজন করতে হয়।

8 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.