Press "Enter" to skip to content

সেনা বিরোধী শ্লোগান দিচ্ছিল AMU এর মুসলিম ছাত্ররা, তারপর যোগী আদিত্যনাথ যা করলেন জানলে গর্বিত হবেন।

(আলীগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি)এর এক PHD ছাত্র মান্নান বাণী আতঙ্কবাদ সংগঠন যোগ দিয়েছিল। যারপর সেনা কাশ্মীরে অপেরাশন চালিয়ে মান্নান বানীকে মেরে ফেলে। এর ফলে দেশের ভেতরে লুকিয়ে থাকা আতঙ্কবাদী সমর্থকরা জেগে উঠে এবং ক্ষোপ প্রকাশ করতে শুরু করে। এর বহু মুসলিম ছাত্র রাস্তায় বেরিয়ে দেশবিরোধী স্লোগান দেয় এবং জানিয়ে দেয় যে তে মান্নান বানীর মতো শতশত আতঙ্কবাদী, জঙ্গি তৈরি হচ্ছে। জানলে অবাক হবেন এর মুসলিম ছাত্ররা মান্নান বানীর জন্য শোকসভা আয়োজন করছিল এবং নামাজে জানাজা পড়েছিল। শুধু এই নয় ভারত বিরোধী শ্লোগান দেয় যার মধ্যে ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে, ভারত মুর্দাবাদ, হাম লেকে রাহেঙে আজাদি, ভারতীয় সেনা মুর্দাবাদ ছিল। এই সমস্ত কিছুর নেতৃত্ব করছিল এর ৩ জন দেশদ্রোহী ছাত্র।

ভারতীয় সেনা জঙ্গি মারলে এর আগেও AMU তে এইধরণের শ্লোগান শোনা যেত, মিডিয়া সেটাকে বাকস্বাধীনতা বলে প্রচার করতো। তবে এবার ে আর কোনো সাধারণ সরকার নেই বরং যোগী আদিত্যনাথের সরকার রয়েছে। ভারতবিরোধী শ্লোগান দেওয়ার জন্য যোগী আদিত্যনাথের সরকার ৩ ছাত্রের উপর দেশদ্রোহী মামলা লাগিয়ে দিয়েছে একই সাথে আরো ৯ জন ছাত্রের উপর কার্যবাহী শুরু হয়ে গিয়েছে ।

প্রদেশে যোগী শাসন আসার আগে AMU এর দেশদ্রোহী ছাত্রদের দেশদ্রোহী মামলা দেওয়া তো দূর, কেউ তাদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন করলে মিডিয়া তার পেছনে পড়ে যেত। কিন্তু এখন সময় পরিবর্তন হয়ে গেছে, যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে রয়েছেন। যোগী আদিত্যনাথের সরকার ৩ জনের উপর মামলা লাগিয়ে দিয়েছে ৯ জনের উপর কার্যবাহী চলছে যাদের নাম উপরে লিস্টে দেওয়া হয়েছে।

এদের মধ্যে বেশিরভাগ জন কাশ্মীরের বাসিন্দা যারা AMU তে পড়াশোনার নামে জনগণের ট্যাক্সের টাকা ধ্বংস করে। AMU নামে একটা ইউনিভার্সিটির নামে চললেও বাস্তবে এটা আতঙ্কবাদ ও জঙ্গিদের একটা বড়ো আড্ডা। জানিয়ে দি এর আগেও AMU এর ছাত্ররা ইউনিভার্সিটিতে জিন্নার ছবি রাখার জন্য দেশবিরোধী বিক্ষোপ দেখিয়েছিল। উল্লেখ্য কোনো কট্টরপন্থী ব্যাক্তি গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনি খেলে মিডিয়া হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির পেছনে পড়ে যায়, কিন্তু দেশদ্রোহী কাজ করার পরেও মিডিয়ার কাছে AMU এর ছাত্ররা নিরীহ ও সরল।