Press "Enter" to skip to content

ধৰ্ম পালনের নামে উৎপাত ছড়াচ্ছিলো কট্টরপন্থীরা! আর তারপর যোগী সরকার করলেন ..

প্রথমত জানিয়ে দি , ে বিজেপির সরকার থাকায় কট্টরপন্থীরা কোনভাবেই দাপট দেখতে পারে না। কিন্তু আয়তনে বড়ো রাজ্য হওয়ায় কিছু অংশে কট্টরপন্থীরা নিজেদের এজেন্ডা লাগাতার চালিয়ে যায়। বিশেষ করে পশ্চিম সংখ্যা বেশি থাকায় সেখানে কট্টরপন্থীদের দাপট বেশ ভালো রকমের রয়েছে। ের বুলন্দ শহরে বিগত দিনে হিন্দুদের ভয় দেখানোর জন্য এবং নিজেরদের শক্তি  প্রদর্শন করার জন্য ইজতেমার নামে িক কট্টরপন্থীরা মুসলিমদের এক হওয়ার ডাক দিয়েছিল। ের অনুষ্ঠানের দোহাই দিয়ে মুসলিমদের এক হওয়ার ডাক দিয়েছিল কট্টরপন্থীরা। আসলে কট্টরপন্থীরা রাম মন্দিরের নির্মানের বিরুদ্ধে মুসলিমদের এক হওয়ার ডাক দিয়েছিল যাতে মুসলিম সম্প্রদায়ের শক্তি প্রদর্শন করতে পারে। বুলন্দ শহরে যে কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছিল সেখানে শুধু ভারতের স্থানীয় মুসলিম নয়, পাকিস্থান ও অন্য দেশের মুসলিমরাও এসে জড়ো হয়েছিল।

এই আয়োজনে প্রায় ৫০ লক্ষ থেকে ১ কোটি সংখ্যায় মুসলিম জড়ো হয়েছিল বলে সুদর্শন নিউজ দাবি করেছে।  জানিয়ে দি, এই আয়োজনকে গিয়ে পুরো পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের হিন্দুদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল কিন্তু কোনো মিডিয়া এই ব্যাপারে মুখ খুলতে রাজি হয়নি। বহু হিন্দু এলাকা ছেড়ে পলায়ন করে অন্যত্র ঠাঁই নিয়েছিল। অন্যদিকে অযোধ্যায় ধর্মসভায় মাত্র ২ লক্ষ হিন্দু এক হওয়া নিয়ে মিডিয়া দেশ উঠালপাথাল করে দিয়েছিল। অযোধ্যায় যে ২ লক্ষ হিন্দু জড়ো হয়েছিল তারা শুধুমাত্র রাম মন্দির নির্মাণের দাবিতে জড়ো হয়েছিল বুলন্দশহরে জমা হওয়া ৫০ লক্ষ থেকে ১ কোটি মুসলিম ধৰ্ম পালনের আড়ালে নিজেদের শক্তি পদর্শন করার জন্য জড়ো হয়েছিল বলে দাবি উঠেছে।

কারণ  এই আয়োজনে  বাইরে থেকে আসা মুসলিমরা পুরো পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ জুড়ে উৎপাত করেছিল। বাসে, ট্রেনে সংরক্ষণ করা আসন নিজেদের সংখাবলে দখল করেছিল ইসলামি কট্টরপন্থীরা। বাইরে থেকে আসা মুসলিমদের জন্য  জন্য স্থানীয় মুসলিমরা গো মাংস কাটা ও বাকি অন্যান ব্যাবস্থা করে রেখেছিল। এমনকি বুলন্দশহরের এক স্থানে গো মাংস নিয়ে বড়ো রকমের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল যাতে এক পুলিশ অফিসার ও এক যুবক প্রাণ হারিয়েছে। তবে এবার যোগী সরকার এই বিষয়ে একশন নেওয়া শুরু করে দিয়েছে।

কারণ ইজতেমাতে ২ লক্ষ মুসলিম জমা হওয়ার নির্দেশ ছিল তা সত্ত্বেও ৫০ লক্ষ থেকে ১ কোটি মুসলিম জমা হওয়ার দাবি সামনে এসেছে। শুধু এই নয়, আয়োজনে কেন দেশের বাইরের মুয়ালিমদের আনা হয়েছিল তা নিয়েও বড়ো প্রশ্ন করেছে যোগী সরকার। যোগী সরকার এই বিষয়ে ইজতেমার আয়োজকদের কাছে নোটি পাঠিয়ে দিয়েছে। খুব শীঘ্রই যোগী সরকার এই মামলায় আরো বড়ো পদক্ষেপ নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.