Press "Enter" to skip to content

রাস্তা আটকে নামাজ পড়ছিল এক কট্টরপন্থী, তারপর যোগী আদিত্যানাথ যা করলেন জানলে গর্বিত হবেন।

গতকাল ের লখনৌতে এক মুসলিম সম্প্রদায়ের ব্যাক্তি দাদাগিরি দেখিয়ে রাস্তায় পড়তে শুরু করে দিয়েছিল। কট্টরপন্থী মাঝ রাস্তায় পড়তে শুরু করে দিয়েছিল এবং একই সাথে নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে শ্লোগান দিচ্ছিল। রাস্তার ট্রাফিক আটকে কট্টরপন্থীটি যখন পড়তে শুরু করেছিল তখন কোনো পুলিশ পদক্ষেপ নেয়নি কিন্তু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওই ব্যক্তির কাজ সরাসরি আইনের অবমাননা করছিল। কট্টরপন্থী ব্যাক্তি ভেবেছিল কে কি করে নেবে! এমনিতে এতদিন ভারতে এদের দাদাগিরি চলেছে আর এখনো দাপট চলবে। কিন্তু এই কট্টরপন্থী একবারের জন্য ভাবেনি যে উত্তরপ্রদেশে যোগী শাসন চলছে। এই ঘটনা ঘটার পর কিছুজন সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও পোস্ট করেন এবং যোগী আদিত্যানাথকে অভিযোগ করেন।

এক ব্যাক্তি ভিডিও পোস্ট পোস্ট করে পুলিশের উপর ক্ষোপ প্রকাশ করেন এবং যোগী আদিত্যানাথজিকে উপযুক্ত ব্যাবস্থা নেওয়ার অবরোধ করেন। ের সরকার সাথে সাথে একশন শুরু করেন এবং ভারতকে ইসলামিক দেশ মনে করা কট্টরপন্থীকে গেপ্তার করা হয়। শুধু এই নয় একই সাথে কট্টরপন্থীর নামাজ পড়ার সময় যে দুই পুলিশ কর্মী পুতুলের মতো হাতপা গুটিয়ে বসে ছিল তাদেরকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে।

দেশের বেশিরভাগ রাজ্যে কট্টরপন্থীরা এই ধরণের কাজ লাগাতার করছে। যদি এই কট্টরপন্থীর উপর একশন না হতো তাহলে পরের শুক্রুবার ওই রাস্তায় আরো ৪ জন নামাজ পড়তো, পরের শুক্রুবার ১৬, এরপর ১০০ তারপর সড়ক জিহাদ করে একটা মসজিদ বানিয়ে ফেলতো। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের কোনো সাধারণ ব্যাক্তি নয় বরং যোগী আদিত্যনাথের শাসন চলছে।

আর এটা কালকে এক কট্টরপন্থী ভালোভাবেই টের পেয়েছে। যোগী রাজ্যে কোনো কার্যকলাপ, কোনো কট্টরতা ও কোনো আইন অবমাননা চলবে না তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন যোগী আদিত্যানাথ। উত্তরপ্রদেশে আগেও রাস্তা আটকে নামাজ পড়া হতো কিন্তু তখন প্রশাসন হাত পা গুটিয়ে বসে থাকতে। উল্টে কেউ যদি রাস্তায় নামাজ পড়ার বিরোধিতা করতো তাহলে তার উপর পুলিশ লাঠিচার্জ করতো, কিন্তু এখন সময় বদলে গেছে। উত্তরপ্রদেশের শাসন ক্ষমতা এক শক্তিশালী উপযুক্ত নেতার হাতে চলে এসেছে।