আতঙ্কবাদী আকবর দ্বারা বন্ধ করা পরিক্রমা আবার চালু করলেন যোগী আদিত্যনাথ! ৫৫০ বছর পর হিন্দুরা ফিরে পেল নিজের অধিকার।

২০১৯ সালের কুম্ভ বহু দিক থেকে ভারতের জন্য ঐতিহাসিক। তাতে সেটা আকবরের সময়কালে বন্ধ হওয়া পঞ্চকোষী যাত্রার পুনরায় আরম্ভ করা হোক অথবা ভারতকে ভিকারীদের দেশ মনে করা পাশ্চাত্য এর বিদেশীদের নিয়ে এসে নতমস্তক করে দেওয়ানো হোক। যে সমস্থ পাশ্চাত্য দেশ ভারতকে ভিকারীর দেশ বলে কটাক্ষ করতো তারাই আজ কুম্ভ মেলাকে বিশ্বঐতিহ্য বলে প্রচার করছে। কুম্ভ মেলায় আসা সাধু সন্ত্ররা বলেছেন যে গঙ্গা পূজনের পর পঞ্চকোষী যাত্রা বহু প্রাচীনকাল থেকে হয়ে আসছে কিন্তু ৫৫০ বছর আগে মুঘল আতঙ্কবাদী আকবর এই পরিক্রমা বন্ধ করে দেয়। একবার সাধুদের প্রচেষ্টায় এই পঞ্চকোষী যাত্রা শুরু হয়ে ছিল কিন্তু পরে আবার ধর্মনিরপেক্ষবাদী সরকার এসে মুসলিম তোষণের জন্য এবং ব্যাবস্থাপনার অভাবে এই পরিক্রমা  করে দেওয়া হয়।

এখন উত্তরপ্রদেশে যোগী সরকার এসে পুনরায় এই পরিক্রমা শুরু করে দিয়েছেন এবং আখড়ার সাথে বিবেচনা করে রুট নির্ধারিত করেছেন। উত্তরপ্রদেশে যোগী সরকার আসার পরই সাধু সন্তরা এই পরিক্রমা পুনরায় চালু করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল। এখন যোগী আদিত্যনাথ হিন্দুদের সেই আবেদন মঞ্জুর করে দশক ধরে বন্ধ হয়ে থাকা পঞ্চকোষ পরিক্রমা চালু করেছেন।

এবার থেকে কাশী, মথুরা ও বৃন্দাবন্দের মতো প্রয়াগরাজেও হিন্দুরা পবিত্র পরিক্রমার উপভোগ করতে পারবেন এবং নিজের মনের আস্থা পূরণ করতে পারবেন।প্রয়াগরাজে পূর্ব দিকে দুর্ভাসা ঋষির আশ্রম তো পশ্চিমদিকে ভরদ্বাজ ঋষির আশ্রম। উত্তরে পান্ডেশর মহাদেব বিরাজমান তো দক্ষিণ দিকে পারাশের ঋষির আশ্রম বর্তমান। এই সমস্থ আশ্রমের পরিক্রমা এবং দর্শনকে খুবই শুভ মনে করা হয়। ২ দিন আগেই সাধু সন্তরা সঙ্গম তটে পরিক্রমার আনন্দ লাভ করেন এবং গঙ্গা আরতির করেন।

যোগী সরকার কুম্ভ মেলার জন্য একটা আস্ত শহর সঙ্গমের তটে বসিয়ে দিয়েছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মিডে মিলের ব্যাবস্থা সমস্তকিছুই এই কুম্ভ মেলায় রয়েছে। পরিক্রমা মার্গ, সাধু সন্ত ও হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য সরকার সুব্যাবস্থা করেছে যা ২৪ ঘন্টা সক্রিয় রয়েছে। হিন্দুদের সবথেকে বড় মেলা হওয়ার কারণে কট্টরপন্থী জিহাদীদের নজর সবসময় এই মেলার দিকে থাকে। যার জন্য সরকারকেও অনেক সচেতনতার সাথে কাজ করতে হয়। কিছুদিন আগেই ৩ জন জিহাদি জল জিহাদ(পানী জিহাদ- জলে বিষ মিশিয়ে হিন্দু হত্যার ষড়যন্ত্র) করার লক্ষ্যে উত্তরপ্রদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। যদিও মুম্বাই ATS মহারাষ্ট্রেই তাদেরকে ধরে ফেলেছিল।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close