Press "Enter" to skip to content

ফতোয়া দেওয়া মুফতিদের উপর যোগী আদিত্যানাথের সরকার নিলো সাহসী পদক্ষেপ!

যেদিন থেকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন সেদিন থেকে সরকারের নজর ধর্মীয় কট্টরতার উপর পড়েছে। ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কট্টরতাকে বিনষ্ট করার জন্য এবং সাম্প্রদায়িক রেষারেষি আটকানোর জন্য সর্বদা কড়া নজর রেখেছে। এই কারণেই মাদ্রাসাগুলিকে অনলাইন পঞ্জিকরনের আদেশ দিয়েছিল, তথা এটা না করলে সরকারী অনুদান বন্ধ করে দেওয়ার বার্তা দিয়েছিল। মাদ্রসাগুলিতে NCERT পাঠক্রমের অন্তর্গত পড়াশোনা করার আদেশ দেন। কিন্তু এখন আর একবার এমন ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে যা কট্টরপন্থী চিন্তাধারার লোকেদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
পাপ্ত খবর অনুযায়ী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ মাদ্রসার অনলাইনে পঞ্জিকরণের পর এবার মুফতিদের ডিগ্রী যাচাইয়ের আদেশ দেন। মীরা হক ফাউন্ডেশন এর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নাকভির বোনের অভিযোগের পর যোগী সরকার এই সহসিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

শাসন প্রশাসন এই মামলায় তদন্ত করার জন্য নেমে পড়েছে। আসলে কয়েক সপ্তাহ আগেই উলেমা মুক্তার আব্বাস নাকভির বোন তথা মীরা হক ফাউন্ডেশন এর অধ্যক্ষ এর বিরুদ্ধে জারি করেছিল এবং মুসলিম থেকে বঞ্চিত করার ঘোষণা করেছিল। যারপর আব্বাস নাকভির বোন সরকারের কাছে সমস্থ মুফতির যাচাইয়ের দাবি তোলেন। উনার দাবি ছিল সমস্থ মুফতিদের ডিগ্রীর তদন্ত করা হোক, এনারা সকলে ডায়ালবাজি করে নিজেকে বলে ঘোষণা করেছে এবং অন্য ধর্মের প্রতি উস্কানি ছড়াচ্ছে।

এর জন্য নাকভি যোগী আদিত্যানাথজিকে চিঠিও পাঠিয়েছিলেন। চিঠিতে রাজ্যের মফতিদের ডিগ্রী যাচাই করার জন্য দাবি জানানো হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী কার্যালয়ের বিশেষ সচিব অমিত সিং অল্পসংখ্যক কল্যাণমন্ত্রী ও অতিরিক্ত প্রধান সচিবকে এই বিষয়ে রিপোর্ট জমা করার নির্দেশ দিয়েছেন। শাসনস্তর থেকে মুফতিদের ডিগ্রীর উপর যাচাই শুরু হয়ে গিয়েছে। শাসন জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে মামলার তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে।

মাদ্রাসার সমস্ত মুফতি যারা চালাচ্ছে এবং যখন তখন যার তার উপর ফতোয়া জারি করেছে তাদের উপর তদন্ত করা হবে। একই সাথে যারা ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে তাদের ডিগ্রীর যাচাই শুরু হয়েছে। যা নিয়ে উলেমা ও মাদ্রাসার মধ্যে হৈচৈ এর পরিস্থিতি রয়েছে। যোগী সরকার আগেই পরিষ্কার করে দিয়েছিলো যে ধর্মের নামে কোনো উপদ্রব সহ্য করা হবে না আর এখন তার উপর লাগাতার কাজ করে চলেছে।