Press "Enter" to skip to content

বকরি ঈদে গো হত্যার উপর কড়া পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর থেকে অনেক বড়ো বড়ো ও চমৎকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বড়ো সিদ্ধান্তের মধ্যে একটা ছিল যোগী আদিত্যানাথকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো। আপনাদের জানিয়ে দি, উত্তরপ্রদেশ রাজ্য দেশের সবথেকে বড়ো রাজ্য। অখিলেশ ও মায়াবতী এক বিশেষ সম্প্রদায়ের তোষণে সম্পুর্ন উত্তরপ্রদেশকে গুন্ডারাজ্য পরিণত করেছিল। নরেন্দ্র মোদী উত্তরপ্রদেশকে গুন্ডারাজ থেকে মুক্তি দিয়ে উত্তমপ্রদেশে পরিণত করার জন্য যোগী আদিত্যানাথকে রাজ্যের দায়িত্ব দিয়েছেন।

আপনাদের জানিয়ে দি, সামনে আর সেই হিসেবে যোগী আদিত্যনাথ এমন সিধান্ত নিয়েছেন যা উত্তরপ্রদেশের সকল হিন্দুর মন জয় করে নিয়েছে। আসলে মুখ্যমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বকরি ঈদে যাতে কোনোভাবে বা গরুর চোরাকারবারি না হয় সেদিকে নজর রাখতে। বকরি ঈদ ইসলাম ধর্মাম্বলী ব্যাক্তিদের জন্য একটা বড়ো উৎসব, কিন্তু কিছু কট্টরপন্থী ব্যাক্তি বকরি ঈদ পালনের নামে অন্য ধর্মাম্বলীর মানুষদের আস্থাকে আহত করে।

কিছুজন বকরি ঈদের নামে খোলাখুলি প্রচুর পরিমানে গো হত্যা করে হয় যাতে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের আস্থা আহত হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রদেশের প্রত্যেক জেলার প্রশাসনকে নির্দেশ দেন যেন বকরি ঈদের নামে অসামাজিক কাজকর্ম না ঘটে তার দিকে নজর রাখতে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ জানিয়েছেন প্রত্যেক জেলার কোনে কোনে এবং বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারি চালাতে।

ধর্ম পালনের নামে অন্য ধর্মকে আঘাত করা বা অসামাজিক কাজকর্ম যে উত্তরপ্রদেশে কোনো ভাবেই চলবে না তা স্পষ্ট করে দেন যোগী আদিত্যানাথ। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে দি, গো হত্যা নিয়ে কিছুদিন আগেই কড়া বার্তা দিয়েছিলেন আরএসএস এর নেতা ইন্দ্রেশ কুমার। ইন্দ্রেশ কুমার বলেছিলেন, গো হত্যার মতো মহাপাপ কাজ বন্ধ হলে তবেই গণধোলাইয়ের মতো সমস্যা বন্ধ হবে।