Press "Enter" to skip to content

কট্টরপন্থী মৌলবী বললো, মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত হবে না! যোগী আদিত্যানাথ নিলেন বড়ো পদক্ষেপ।

স্বাধীনতা দিবসে ের বিরোধিতা করার মামলায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বড়ো পদক্ষেপ নিয়েছেন। মহারাজগঞ্জের আরবিয়া আহেলি সুন্নাতে অনাভারী তাইয়াবা এর মান্যতাকে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। শুধু এই নয় মাদ্রাসার প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমানকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রবন্ধ সমিতির সদস্য ও শিক্ষকদের উপর তদন্ত শুরু হয়েছে যারা রাজ্য সরকারের আদেশের অমান্য করেছে। উত্তরপ্রদেশের অল্পসংখ্যক বিষয়ক মন্ত্রী মহিসিন রাজা এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব নিয়ে তদন্ত করার জন্য আদেশ দিয়েছেন। ১৫ আগস্ট জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়নি এই বিষয়টি সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আসলে মাদ্রাসার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর প্রদেশের সরকার নড়েচড়ে বসে।

উত্তরপ্রদেশের মাদ্রাসা পরিষদ এই বিষয়টিকে খুব গম্ভীর বলে মনে করেছেন। মহারাজগঞ্জের জেলা অল্পসংখ্যক কল্যাণ আধিকারিকের কাছে তলব করার পর যোগী সরকার ওই মাদ্রাসার স্বীকৃতিকে বাতিল করে দিয়েছে। তদন্তে পাওয়া গেছে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনের পর মাদ্রাসা আরবিয়া আহেলিত সুন্নাতের মৌলানা জুবেধ আনসারী বাচ্চাদেরকে জাতীয় সংগীত গাওয়া থেকে মানা করেছিলেন।

মাদ্রাসা আধুনিকরণের শিক্ষক সুনীল কুমার ত্রিপাঠি ও অন্য দুই শিক্ষক মৌলবীর এই দেশদ্রোহিতার বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু মাদ্রাসার বাকি কট্টরপন্থী দেশদ্রোহী শিক্ষকরা বিরোধ না করায় জাতীয় সংগীত হতে পারেনি। মাদ্রাসার ওই কট্টরপন্থী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর এক ব্যাক্তি বলছেন যে এবার জাতীয় সংগীত গাওয়া হবে।

তখন মাদ্রসার কট্টরপন্থী শিক্ষকরা বিরোধ করে যে আমরা জাতীয় সংগীত গাইতে দেব না। জাতীয় সংগীত গাওয়া জায়েজ নয়। আসলে কংগ্রেস ও অন্য দলগুলি তোষণ করে ও সেকুলারিজম দেখিয়ে কট্টরপন্থীদের এমন মাথায় উঠিয়েছে যে এরা দেশদ্রোহী কাজ করতেও ভয় পায় না। তবে যোগী আদিত্যনাথের মুখ্যমন্ত্রী যে এই কট্টরপন্থীদের জব্দ করার জন্য যথেষ্ট তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।