Press "Enter" to skip to content

যখন অটলজি যোগী আদিত্যানাথকে বলেছিলেন আমি তোমার গুরুজীর কাছে তোমায় নামে অভিযোগ করবো! তখন যা হয়েছিল…

যখন অটল বিহারী বাজপেয়ী যোগী আদিত্যানাথকে বলেছিলেন আমি তোমার গুরুজীর কাছে তোমায় নামে অভিযোগ করবো!

১৫ আগস্ট দেশ ৭২ তম স্বাধীনতা দিবসে মেতে উঠেছিল। আর পরের দিনই এমন খবর সামনে আসে যা পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দেয়। পরের দিন অর্থাৎ ১৬ আগস্ট খবর আসে যে রাজনীতি জগতের সবথেকে বড়ো নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ী স্বর্গবাস করেছেন। ১৬ আগস্ট সকালে এমসের তরফ থেকে মেডিক্যাল বুলেটিন জারি করা হয়েছিল যাতে জানানো হয়েছিল যে অটলজির শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে তৎপর এমসে সমস্ত বড়ো বড়ো নেতারা জমায়েত হতে শুরু করে। এরপর সারা দেশ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে শুরু করে। কিন্তু শেষমেষ ৫. ৪০ নাগাদ খবর পাওয়া যায় যে উনি আর আমাদের মাঝে নেই। এমস কর্তৃপক্ষ জানায় যে ৫.০৫ এ অটলজি দেহত্যাগ করেছেন।

অটলজির নিধনে পুরো দেশ শোক পালন করে এবং সরকারের তরফ থেকে ৭ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়। এই সময় যোগী আদিত্যানাথ অটলজিকে নিয়ে এক ঘটনা ব্যাক্ত করেন যা অটলজির সরল সাধারণ ও হাসিখুশি মেজাজকে ব্যাক্ত করে। যোগীজি বলেন ২০০৪ লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের জন্য অটলজি গোরক্ষপুর আসছিলেন। যোগীজি বলেন, তিনি কিছু কাজে গোরক্ষপুর থেকে বাইরে যাচ্ছিলেন। হটাৎ খবর পাওয়ার পর উনি অটলজির সাথে দেখা করতে পৌঁছান। অটলজি গাড়ি থেকে নেমে যোগিজিকে বলেন, ” তোমার নামে তোমার গুরুর কাছে আমি অভিযোগ করবো।

তোমার জন্য আমাকে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। আগে আমি শুধু গোরক্ষপুরেই রালি করতে আসতাম। তুমি জানিয়েছো যে গোরক্ষপুরে কোনো রালির প্রয়োজন নেই।” অটলজির কথা শুনে যোগী আদিত্যানাথ উত্তর দিয়ে বলেন, ‘ না না এইরকম কোনো ব্যাপার নেই।আমি তো আপনার আসার জন্য আবেদন করেছিলাম। ‘

এটা শুনে অটলজি হেসে পড়েন এবং চলতে শুরু করেন। যোগী আদিত্যনাথ সাংবাদিকদের বলেন বাস্তবে প্রত্যেক কার্যকর্তার সাথে উনার খুব ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। আপনাদের জানিয়ে দি অটলজির নিধনের পরেই যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছেন। শুধু এই নয় যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন অটলজির অস্থিভস্ম উত্তরপ্রদেশের প্রত্যেক নদীতে ভাসানো হবে।