Press "Enter" to skip to content

এই কারণেই জওহরলাল নেহেরুর মূর্তিকে ক্রেন দিয়ে উপড়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিল যোগী প্রশাসন!

কংগ্রেস নিজের পরিবারের প্রচারের জন্য দেশের প্রায় সমস্ত জেলায় নেহেরু, গান্ধী ইত্যাদির মূর্তি বসিয়ে দিয়েছে। এই মূর্তিগুলি সড়ক ঘিরে রেখেছে, মূল্যবান জমি কব্জা করে রেখেছে। প্রয়াগে কুম্ভ মেলার জন্য হাতে আর বেশি সময় নেই। আন্তর্জাতিক স্তরে এই মেলার আয়োজন করতে চলেছে। এর মধ্যে সড়ককে প্রশস্ত করার কাজ শুরু করেছে যোগী প্রশাসন। কারণ যে সড়ক দিয়ে হিন্দু সমাজ ও সন্তরা তা সংকীর্ণ রয়েছে এবং তার উপর নেহেরুর মতো মূর্তিগুলো কব্জা করে বসে রয়েছে। এমনকি এক নেহেরুর মূর্তি রাস্তায় মাঝখানে ছিল, যা হিন্দু ও সাধু সমাজের পথে বাধা সৃষ্টি করতো। এখন যোগী প্রশাসন সেই মূর্তি উপড়ে সরিয়ে দিয়েছে। কুম্ভ মেলার যাওয়ার পথে নেহেরুরু এই মূর্তি থাকার জন্য প্রচন্ড অসুবিধা হতো এবং বিশাল জ্যাম সৃষ্টি হতো। যোগী প্রশাসন লাগিয়ে এই মূর্তি উঠিয়ে দিয়েছে। যার উপর নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে কংগ্রেস।

জানিয়ে দি , এই মূর্তি বহু বছর থেকে রাস্তার পথে বাঁধা সৃষ্টি করতো, যদিও ১৯৯৫ থেকে আজ পর্যন্ত কেউ ওই মূর্তিতে হাত লাগানোর সাহস পায়নি। কিন্তু যোগী সরকারের কাছে হিন্দুদের কুম্ভমেলা যাত্রা বেশি প্রাথমিকতা পেয়েছে। যার জন্য সরকার রাস্তার প্রশস্তিকরণ, সৌন্দর্য্যয়ন, করার সাথে সাথে এমন পদক্ষেপ নিয়েছে যাতে পুরো কংগ্রেস ও কট্টরপন্থীরা তিলমিলিয়ে উঠেছে। রাস্তায় থাকা জওহরলাল নেহেরুরু মূর্তিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রয়াগের কংগ্রেসের কার্যকর্তারা রাস্তায় এসে বিরোধ প্রদর্শন এবং মূর্তি সরাতে বাধা প্রদান করেছিল। যদিও যোগী প্রশাসন কোনো বাধার তোয়াক্কা না করে ক্রেন লাগিয়ে মূর্তি সরিয়ে দেয়। কংগ্রেসের সদস্যদের কাছে হিন্দুদের সুবিধার থেকে মূর্তি বসিয়ে রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এলাহাবাদ ডেভেলপমেন্ট অথরিটি দ্বারা বালসন সড়কের উপর কাজ চালানো হচ্ছিল সেই রাস্তায় মধ্যেই জওহরলাল নেহেরুর মূর্তি ছিল।যা প্রশাসন উপড়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ শুরু করে। কংগ্রেস দাবি করে সরকার ভেদভাব করেছে এবং দাদাগিরি শুরু করেছে।

যদিও প্রশাসন জানিয়েছে রাস্তার সৌন্দর্য্যকরণের জন্য ছক তৈরি হয়েছে আর সি ভিত্তিতেই কাজ হচ্ছে।কিছু মাস আগে রাস্তার মধ্যে আসা অবৈধ ভাবে নির্মাণকারী মসজিদ এসেছিল যা ভেঙে ফেলার জন্য এলাকার মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিল যোগী সরকার। প্রশাসন জানিয়েছিল যদি তারা অবৈধভাবে তৈরি মসজিদ না ভাঙে তাহলে আমরা সেই মসজিদ ভেঙে ফেলবো। যারপর মুসলিম সমাজ নিজেরাই মসজিদ ভেঙে সরকারের সহায়তা করেছিল। সেই সময়েও মসজিদ ভাঙা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল কংগ্রেস।