Press "Enter" to skip to content

৪৪ জন জওয়ান বলিদান হওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় আনন্দউৎসব করেছিল এই দেশদ্রোহী! যোগী সরকার নিলো এমন একশন যে ঢুকতে হলো জেলে।

পুলবামা হামলা নিয়ে দেশের ভেতরে থাকা দেশদ্রোহীরা খুবই আনন্দে মেতেছে। সেটা দালাল মিডিয়া কর্মচারীরা হোক বা বিশেষ শ্রেণীর কট্টরপন্থীরা হোক- এরা দেশের জওয়ান বলিদান হওয়ার খুব খুশি হয়েছে। পুলবামা হামলা নিয়ে পুরো দেশ যখন একসুরে বদলা চাইছে তখন অন্যদিকে দেশের দেশদ্রোহীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের আনন্দ প্রকাশ করতে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে। দেশদ্রোহীরা পাকিস্থানের সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিতে শুরু করেছে। এমনকি এক দেশদ্রোহী হলো উত্তরপ্রদেশের মাউ এর বাসিন্দা মহম্মদ ওসামা।

মহম্মদ ওসামা ফেসবুকে তার বন্ধুকে ট্যাগ করে লিখেছিল- “ভাই যা হয়েছে ভালো হয়েছে, পাকিস্থানের উচিত এমন আরো ব্লাস্ট করানো।” দেশদ্রোহী মহম্মদ ওসামা একজন ধার্মিক উগ্রবাদী যার কাছে ধার্মিক উগ্রবাদ সবার উপরে। মহম্মদ ওসামার পোস্ট দেখা মাত্র রাষ্ট্রবাদীরা ওসমাকে খুঁজতে শুরু করে দেয়। খোঁজ না পেয়ে রাষ্ট্রবাদীরা পুলিশের কাছে গিয়ে FIR দায়ের করে।

তরক্ষণে মহম্মদ ওসামা নিজের ফেসবুক প্রোফাইল ডিএক্টিভেট করে দিয়েছিল। তবে পুলিশ রাষ্ট্রবাদীদের স্ক্রিন শটের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে নেয়। এখন যোগী সরকার এই কট্টরপন্থীর বিরুদ্ধে একশন নিয়ে মহম্মদ ওসামাকে জেলে ঢুকিয়ে দিয়েছে। এই জিহাদি মাউ এর মদনপুরা এলাকার বাসিন্দা, এর আব্বার নাম মহম্মদ ইমতিয়াজ।

যোগী পুলিশ এই কট্টরপন্থীর বিরূদ্ধে বেশ কয়েকটি এক্টে মামলা দায়ের করেছে। অন্যদিকে আলীগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি যে ছাত্র পাকিস্থানের সমর্থনে পোস্ট করেছিল তাকেও ইউনিভার্সিটি থেকে বরখাস্ত করতে বাধ্য করেছে যোগী প্রশাসন। বাসিম হিলাল নামক ওই ছাত্র এখন পলাতক। ওই ছাত্রকেও খুব শীঘ্রই  যোগী পুলিশ খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করবে বলে জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও বেশ কয়েকটি দেশদ্রোহী সোশ্যাল মিডিয়ায় সেনা বিরোধী কথা বলেছে। পশ্চিমবঙ্গের রাষ্ট্রবাদীরা খুবই সক্রিয় হয়ে সেই দেশ বিরোধী শক্তির দমনে নেমেছে।

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.