Press "Enter" to skip to content

যোগী আদিত্যনাথের এই পদক্ষেপে ক্রান্তিকারী পরিবর্তন দেখা গেল উত্তরপ্রদেশে।

মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় আসার পর থেকে একের পর এক বড়ো পদক্ষেপ নেন। অবৈধ জবাই খানার উপর তালা লাগান, অপরাধবিহীন উত্তরপ্রদেশ তৈরির জন্য ইউপি পুলিশের হাত খুলে দেন, রাষ্ট্রগীত না গাওয়া বা জাতীয় পতাকার অপমান করা ব্যাক্তিদের উপর সোজাসুজি দেশদ্রোহের মামলা দায়ের করান। এই সকল তো যোগীজি কড়াভাবে করেন কিন্ত আসল পরিবর্তন তো সেটাকে বলে যেটা মানুষের মনের মধ্যে নিজের থেকেই হয়। আর এটা তখনই সম্ভব যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভোটব্যাঙ্ক বা তুষ্টিকরন করার ব্যাক্তি না হন এবং একই সাথে কোনোভাবে না হচকচিয়ে কঠোরভাবে সিধান্ত নিতে পারেন। এই বকরি ে যোগী আদিত্যনাথের রাজ্য উত্তরপ্রদেশে এইরকমই কিছু ক্রান্তিকারী পরিবর্তন চোখে পড়েছে যার কল্পনাও আজ পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশবাসী করেননি।

অখিলেশ হোক বা মায়াবতী এদের আমলে রাজ্যে উগ্রবাদী ঘটনা ও দাঙ্গায় উত্তরপ্রদেশের খবরের পৃষ্ঠা সম্পুর্নভাবে পূর্ন হয়ে যেত। তবে এখন যোগী সরকারের আসার পর এর ব্যাপক পরিবর্তন চোখে পড়ছে। সম্প্রতি যোগী সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল যা সকলকে বড়ো চমক দিয়েছিল। এইসময় বহু জায়গায় বকরি ঈদ পালনের তোড়জোড় চলছে। সাধারণত এই উৎসবে ছাগলের কুরবানী দেওয়া হয় কিন্তু এইবার বকরি ঈদে ক্রান্তিকারী পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। লখনউতে এইবার কিছু মানুষ ইকো ফ্রেন্ডলি বকরি ঈদ পালনের সিধান্ত নিয়েছিল।এইবার এই সকল মানুষের ছাগলের জায়গায় কেক কেটেছিলেন এবং কেকে ছাগলের ছবি এঁকেছিলেন। লখনউ এর এক বেকারিতে এইরকম কেক কেনা এক ব্যক্তির বক্তব্য বকরি ঈদে ছাগলের কুরবানী দেওয়া ঠিক নয়।

আমি সবার কাছে আবেদন করছি যে এবারের বকরি ঈদ ছাগল কুরবানী দিয়ে নয় কেক কেটে উৎযাপন করুন। আপনাদের জানিয়ে দি, এর আগে মৌলবী মৌলানা সেফ আব্ বলেছিলেন,পূর্ব প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীজির নিধনের জন্য আমাদের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে তাই মুসলিম ভাইদের কাছে অনুরোধ করছি যে বকরি ঈদের উদযাপন সাধারণভাবে পালন করুন। নামাজ পড়ুন, কুরবানী দেওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং সীমার মধ্যে থেকে বকরি ঈদ পালন করুন। এই ঘটনা সামনে আসার পর থেকে পুরো বামপন্থী সংগঠনের হুশ উড়ে গেছে। জানিয়ে দি, সমস্ত বুদ্ধিজীবী হোলিতে জলের অপচয় ও দিপাবলীতে পটকা ফাটানোর হৈচৈ মাতিয়ে দিতেন কিন্তু তোষণের জন্য এই উৎসবে বিনা রক্তপাতে উৎসব পালনের কথা মুখে পর্যন্ত আনতে পারেন না।

দেশের মুখ্য মুসলিম সংগঠনগুলি বকরি ঈদে থেকে গাই ও ষাঁড়ের কুরবানী না দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়ার অধ্যক্ষ মৌলানা খালিদ রশিদও মুসলিমদের কাছে অনুরোধ করেছিলেন যে বকরি ঈদে হিন্দু ভাইদের আস্থার জন্য গাইয়ের কুরবানী দেওয়া থেকে বঞ্চিত থাকুন। রাশিদ জানান মুসলিমদের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে যে তারা যেন কোনোভাবেই গলিতে, নালার সামনে বা সার্বজনীন জায়গায় কোনোভাবেই কোনো পশু কুরবানী না করে যাতে মানুষের সমস্যার সৃষ্টি না হয়। অন্য দিকে এই বিষয়টি যোগী সরকার উত্তরপ্রদেশে প্রত্যেক মুখ্য মৌলানকে দিয়ে জনজনের কাছে প্রচার করেছিল।