Press "Enter" to skip to content

কাসগঞ্জ হিংসায় মৃত চন্দন গুপ্তার হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে বড়ো পদক্ষেপ নিলো যোগী আদিত্যানাথ।

এই বছর ২৬ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের কাশগঞ্জে একটা দুর্ভাগ্যপূর্ন ঘটনা ঘটেছিল যা পুরো দেশকে শোকাহত করার সাথে সাথে ক্রোধিত করে তুলেছিল। কাশগঞ্জে নামক এক হিন্দু যুবকের হত্যা করে দেওয়া হয়েছিল। চন্দনের দোষ এই ছিল যে সে মুসলিম বহুল এলাকায় তিরঙা রালি বের করে ভারত মাতার জয় স্লোগান দিয়েছিল। যারপর ওই এলাকায় তিন ভাই ওয়াসিম, সেলিম ও নাসিম একত্রে মিলে চন্দন গুপ্তাকে হত্যা করে দিয়েছিল। একই সাথে এলাকায় লোকজন তাদের বাড়ি থেকে রালির উপর পাথর ছুঁড়েছিল। এখন এই ঘটনা নিয়ে একটা বড়ো খবর সামনে আসছে যার অপেক্ষায় ছিল দেশবাসী। সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী উত্তরপ্রদেশের কাসগঞ্জের চন্দন গুপ্তার হত্যাকারী ও হিংসা ছড়ানোর মুখ্য অপরাধী ৩ ভায়ের উপর NSA লাগু করা হয়েছে।

এই পদক্ষেপ খুশি হয়েছে চন্দন গুপ্তার পরিবার ও তার সাথীরা। উল্লেখ্য, কাসগঞ্জ হিংসায় পুলিশ প্রায় ১১৭ ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করেছিল যার মধ্যে ৩৬ জন ব্যাক্তিকে গম্ভীর মমালার অপরাধী বলে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং অন্য লোকেদের শান্তিভঙ্গ করার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মামলার তদন্ত করার পর এসআইটি চার্জসিট দাখিল করেছিল। এই ঘটনায় চন্দন গুপ্তার পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে ২০ জন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করার মামলা দায়ের করিয়েছিল যেখানে প্রধান অপরাধী সেলিম, নাসিম ও ওয়াসিম। জানলে অবাক হবেন, এত কিছু হওয়ার পরেও হাইকোর্ট এদেরকে জামানতের মঞ্জুরি দিয়েদিয়েছিল।

জানিয়ে দি, কাসগঞ্জ হিংসায় চন্দন গুপ্তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল এবং কট্টরপন্থীরা অনেক দোকানপত্র ভাঙচুর করে উপদ্রপ চালিয়েছিল। ১ ,সপ্তাহ ধরে শহরের কানুন ব্যাবস্থা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছিল যার পর যোগী সরকারের নির্দেশে উচ্চপদস্ত পুলিশ অফিসাররা কড়া হাতে কানুন ব্যবস্থাকে আবার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। চন্দনগুপ্তার হত্যা ও হিংসা ছড়ানোর পর উগ্রপন্থীরা নিজেদের শান্তিবাদী দেখানোর জন্য ঘরে দরজা বন্ধ করে বসে ছিল। পুলিশ ওই এলাকায় গিয়ে দরজা ভেঙে ভেঙে অভিযুক্তদের ধরে জেলে ঢুকিয়ে ছিল। এমনকি অভিযুক্তদের থেকে সম্পত্তির ক্ষতিপূরণও সংগ্রহ করেছিল পুলিশ। সেই সময় অখিলেশ যাদবেরও আসল রূপ হিন্দু সমাজের সামনে এসেছিল।

কারণ অখিলেশ চন্দন গুপ্তার হত্যার জন্য শোকপ্রকাশ তো দূর বরং মুসলিম হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করায় যোগীকে মুসলিম বিরোধী বলে প্রচার করেছিল। এখন সবথেকে বড় ব্যাপার এই যে সমগ্র উত্তরপ্রদেশ মনে করেছিল যে চন্দন গুপ্তার অপরাধীরা সাজা হবে না কারণ যোগী সরকারও তোষণ করবে। কিন্তু যোগী আদিত্যানাথ তার একের পর এক পদক্ষেপে প্রমান করে দিলেন যে তোষণ নামক আচরণ তার সরকারে নেই।