Press "Enter" to skip to content

মাত্র ৩ টাকায় ও ৫ টাকায় পাওয়া যাবে ভরপেট খাবার! যোগী সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর থেকে একের পর এক বড়ো পদক্ষেপ নিয়ে সকলকে অবাক করেছেন। তবে এবার আর একটা জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ নিয়েছেন যোগীজি। আসলে ের উল্লেখযোগ্য লক্ষ্য কোনো উত্তরপ্রদেশবাসী যাতে খালি পেটে না ঘুমাতে যায়। আর এই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছে সরকার। এবার ের এলাহাবাদে গরিব মানুষদের কথা মাথায় রেখে শুরু হয়েছে “।” এখানে মাত্র ৫ টাকায় পাওয়া যাবে পেট ভরতি করে ভাত ও সবজি এবং মাত্র ৩ টাকায় পাওয়া যাবে সকালের খাবার। এলাহাবাদের মেয়র অভিলাষ গুপ্তা এই প্রকল্পটির উদ্ধোধন করেন রবিবার। দিলীপ ওরফে কাকে যিনি এর মূল উদ্যোক্তা তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন যে, আমরা সব সময় একটা বিষয়কে নিয়ে ভেবেছি সেটা হল খালি পেটে যেন কেউ না ঘুমায়।

আমাদের এই “যোগী থালি” উদ্ধোগ তাদের জন্য যারা দিনের পর দিন নিজেদের খাবার জোগাড় করতে পারছেন না। এই থালির নাম মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নামকে অনুকরণ করেই করা হয়েছে। কারন তিনি রাজ্যবাসীর জন্য যথাযথ কাজ করছেন। উনার উপর রাজ্যবাসীর অনেক ভরসা আছে। তার কাজ করা দেখে মানুষের মধ্যে আসার আলো জেগে উঠেছে। তাই এইরকম জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের নাম তারা মুখ্যমন্ত্রীর নামের সাথেই জুড়ে দিয়েছেন।

‘যোগী থালি’-র উদ্বোধনের পর সেখানকার মেয়র জানান যে মাত্র ৩ টাকায় ও ৫ টাকায় গরিব মানুষরা খাবার পাবেন। এই বেসরকারি উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানায়। সরকারি ভাবে সমস্তরকম সাহায্য করা হবে বলেও তিনি জানান। এছাড়াও তিনি জানান যে ‘যোগী থালি’ বিশেষ ভাবে কাজে আসবে সমাজের আরও কিছু মানুষদের। যারা শারীরিক ভাবে প্রতিবন্ধী, সাধুসন্ন্যাসী যারা দুবেলা কষ্ট করেও নিজেদের খাবার ঠিক মত জোগাড় করতে পারেন না। তাদেরও বিশেষ ভাবে সাহায্য হবে এই ‘যোগী থালি’ উদ্ধোগ। খাবার দেয়ার সাথে সাথে মানুষের আত্মসন্মান ও সভিমানের খেয়াল রাখা হয় তার জন্যই যথাক্রমে ৩ টাকা ও ৫ টাকা দাম রাখা হয়েছে।

এখন এলাহাবাদে চালু হয়েছে “যোগী থালি।” আর কিছু দিনের মধ্যেই রাজ্যের প্রায় সব শহরের সব এলাকাজুড়ে চালু হয়ে যাবে এই প্রকল্প। এই মুহুতে এই উদ্ধোগের দ্বারা ৩ টাকায় ও ৫ টাকায় পেট ভরতি খাবার পেয়ে বেশ খুশি এলাহাবাদবাসী। এই “যোগী থালি” উদ্ধোগের ফলে দেশের গরিব মানুষদের পাশাপাশি বেশ উপকৃত হবেন শ্রমিক সমাজও। জানিয়ে দি দেশবাসীর দুবেলা খাবার পাওয়া সংবিধানগত অধিকার যা দেখাশোনার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের থাকে। আর সেই দিকে লক্ষ রেখেই যোগী সরকার এই প্রকল্প শুরু করেছে। জানিয়ে দি কিছুদিন আগেই কেজরিওয়ালের দিল্লীতে তিন শিশু ক্ষুদার যন্ত্রনায় মারা গেছিল। সেইরকম বেদনাদায় ঘটনা উত্তরপ্রদেশে হতে দিতে চান না যোগী আদিত্যানাথ।

#অগ্নিপুত্র